Generic selectors
Exact matches only
Search in title
Search in content
Search in posts
Search in pages

9 September 2017 News

শিক্ষককে মারধরের নালিশ আসানসোল রেলপারে

এলাকায় অনুষ্ঠান হচ্ছে, তিনি আমন্ত্রণপত্র পাননি। এই ‘কারণে’ এক প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে আসানসোল পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর ও তাঁর স্বামীর। বৃহস্পতিবার আসানসোলের রেলপার এলাকার ঘটনা। যদিও শুক্রবার রাত পর্যন্ত পুলিশে অভিযোগ হয়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে পুরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে রেলপার এলাকার কয়েকটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকেরা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান আশিস দে’র জন্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। অন্যতম উদ্যোক্তা ছিলেন একে আজাদ প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক মহম্মদ সমি খান। আসানসোল জেলা হাসপাতালে চিকিত্‍সাধীন সমির অভিযোগ, ”অনুষ্ঠান শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে কাউন্সিলর নূর রফত পারভিন ও তাঁর স্বামী কুরবান আলি অনুষ্ঠানস্থলে আসেন। কাউন্সিলর জিজ্ঞেস করেন, ‘আমাকে কেন আমন্ত্রণ জানানো হয়নি?’ আমি কিছু বলার আগেই ওঁরা মারধর করেন।” পরে অন্য শিক্ষকেরা এসে সমিকে বাঁচান।

অভিযোগ অস্বীকার করে ওই কাউন্সিলর ও কুরবান বলেন, ”আমন্ত্রণ না জানানোর কারণ জানতে চেয়েছিলাম। মারধর করা হয়নি। ওই শিক্ষকই আমাদের ধাক্কা মেরে ফেলে দেন।” শুক্রবার তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি ভি শিবদাসন বলেন, ”বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হবে।” তৃণমূলের শিক্ষক নেতা মহম্মদ সাহিদ আলম কাদরির দাবি, ওই অনুষ্ঠানে ‘স্বাস্থ্য-শিক্ষা কমিটি’র সভাপতি হিসেবে কাউন্সিলরকে আমন্ত্রণ জানানো উচিত ছিল। যদিও সেই সঙ্গে তাঁর সংযোজন, ”শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত কোনও অনুষ্ঠানে এমন ঘটনা বাঞ্ছনীয় নয়।”

Source: Anandabazar Patrika

জামুড়িয়ায় যুবকের দেহ উদ্ধারে রহস্য, কয়লা চোরেদের আক্রোশ বলে সন্দেহ

এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারে রহস্য দানা বাঁধল৷ বিনোদ রুইদাস নামে ওই যুবক রেল পুলিশের ইনফর্মার ছিলেন বলে আরপিএফের একটি সূত্র জানিয়েছে৷ শুক্রবার ভোরে জামুড়িয়ার কেন্দা ফাঁড়ি এলাকার কয়লা পরিবহণের রেললাইনের ধারে তাঁর দেহ উদ্ধার করে পুলিশ৷ তাঁর মুখ ও মাথা থ্যাঁতলানো ছিল৷ ঘটনাস্থলের অদূরে একটি খালের ধার থেকে বিনোদের বাইকটি উদ্ধার করে পুলিশ৷ এসিপি (সেন্ট্রাল ) বরুণ বৈদ্য বলেন , ‘আমি নিজে ঘটনাস্থলে এসেছি৷ গোটা ঘটনার তদন্ত না করে এটা খুন না অন্য কিছু তা বলা যাবে না৷ ’বিনোদের বাড়ি রানিগঞ্জের মঙ্গলপুরে৷ তাঁর দাদা শম্ভু রুইদাস বলেন , ‘ভাই আরপিএফের সঙ্গে থাকত৷ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ি না ফেরায় খোঁজাখুঁজি শুরু হয়৷ শুক্রবারও খোঁজ করতে গিয়ে দেখা যায় , কেন্দা সাইডিংয়ে রেল লাইনের ধারে একটি জঙ্গল থেকে ওর দেহ পড়ে রয়েছে৷

মাথা ও মুখ থ্যাঁতলানো৷ প্যান্টটাও ফেটে গিয়েছে৷ তবে শুনেছি , উদ্ধার হওয়া বিনোদের বাইকে রক্তের দাগ রয়েছে৷ ’এদিন বিনোদের দেহ খুঁজতে জামুড়িয়া -রানিগঞ্জ , দু’টি থানার পুলিশই ঘটনাস্থলে যায়৷ স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , মঙ্গলপুর ইটভাটার কাছ থেকে জঙ্গলপুর পর্যন্ত রক্তের দাগ মিলেছে৷ বিনোদের সহকর্মী পাপ্পু যাদব বলেন , ‘গত মঙ্গলবার কয়লা বোঝাই একটি মালগাড়ি কোলিয়ারি থেকে আসার পথে আমি , বিনোদ আর আরপিএফের এক কনস্টেবল চোরেদের বাধা দিই৷ ওরা মালগাড়িতে চেপে কয়লা চুরি করতে করতে যায়৷ আমরা বাধা দিলে আমাদের দিকে প্রথমে পাথর ছোড়ে৷ তার পর ওরা আমাদের তাড়া করলে আমরা পালিয়ে যাই৷ ’ আরপিএফের এক সাব -ইনস্পেক্টর বলেন , ‘ওই ছেলেটি কয়লা চুরির খবর দিত এটা সত্যি৷ কিন্ত্ত সেই কারণে ও খুন হয়েছে কিনা তা বলতে পারব না৷ ’ আরপিএফের আসানসোল ডিভিশনের সিকিউরিটি কমিশনার এ এন ঝা বলেন , ‘আমি অন্ডালের ইনস্পেক্টরের কাছে গোটা বিষয়টি জানতে চেয়েছি৷ যদিও রেল এলাকায় ওই খুনের ঘটনা ঘটেনি৷ ’ বিনোদের দাদা বলেন , ‘আমরা চাই , পুলিশ আসল ঘটনা খুঁজে বের করুক৷ আমার ভাইকে কারা খুন করল কেন খুন করল তা জানানো হোক৷ ’এর পরই প্রশ্ন উঠেছে , কয়লা চোরেদের আক্রোশের শিকার কি বিনোদ ? নাকি রেলের কোনও অপরাধ চক্রের হাতে খুন হতে হল তাঁকে৷

Source: Eisamay